• CREATIVE WRITING

    ইশ্বর খুঁজে বেড়াই | ইয়াসির রাফা

    ইশ্বর কে নিয়ে কবিতা লিখবো ভেবেছিলাম তাকে খুজে পাই নি। রোজকার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপালাম ইশ্বর কে খুজে পাই নি। . পবিত্রতার মন ভরে গেছে বড্ড চায়ের কাপের উস্নতায় অনুভব করছি তোমায়। বিশ্বাস করুন ইশ্বর – পথশিশুর চিৎকারে কেঁপে উঠা শহর থেকে তোমায় খুঁজেছ , শীতের রাতে অসহায় মানুষগুলো আর ওই বৃদ্ধা মহিলার কংকাল সাড় হাতের রেখাগুলো আজ ক্লান্ত তোমায় খুজে খুজে। . ইশ্বর কে নিয়ে কবিতা লিখবো ভেবেছিলাম। যে কবিতায় মিথ্যা থাকবে না। যে কবিতায় থাকবে না অনাহারী, দুঃখী মানুষের গল্প ! . গোটা শহরে মাইকিং করেছি..! পোস্টারে পোস্টারে দেয়াল ভরিয়েছি কালো পতাকার নিশান উড়িয়েছি, ইশ্বর কে খুজে পাই নি। . ওই যে অভয়াশ্রম এর বৃদ্ধ কাঁদে পাশের বাড়িতে কাজ…

  • CREATIVE WRITING,  TRAVEL DIARY

    ঘুরে এলাম কক্সবাজার | রেজা তানভীর

    ছোটবেলায় বাবা মায়ের সাথে একবার কক্সবাজার গিয়েছিলাম।সেটি আরো ৫ বছর আগে।এখন বড়বেলায় (আমার ভাষায়) সাধ জেগেছিল আরো একবার ঘুরে আসি সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমি থেকে। যথারীতি চট্টগ্রাম শহর হতে আমি আর আমার বন্ধু চট্টগ্রাম শহর হতে কক্সবাজারের দিকে রওয়ানা হলাম।শহরে নেমেই থাকার জন্য আমরা কলাতলীতে হোটেলে বুকিং দিলাম।সমুদ্র সৈকতে বীচের অপরূপ দৃশ্য দেখে আমরা মুগ্ধ, রাতের বীচ তো এককথায় অসাধারন।রাতে বীচের পাশে বসে আমরা অনেক আড্ডা দিয়েছি।সমুদ্রের বিশাল গর্জন, উন্মত্ত ঢেউ চমৎকারভাবে উপভোগ করেছি।দিনের বেলায় ছিল সমুদ্রের পানিতে গোসল করার উপযুক্ত সময়।সেটিও মিস করিনি,ঢেউয়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাঁতার কাটা ছিল সেই রকম।দেখা হল শহরের বার্মিজ মার্কেট,বার্মিজ মার্কেটের আচার ছিল সেই মানের সুস্বাদু তাছাড়া বাদাম তো আছেই।কিনে ফেললাম কয়েক প্যাকেট আচার আর…

  • CREATIVE WRITING

    মৃত্যু | সাদমান জাওয়াদ

    কবিতা: মৃত্যু লেখক: সাদমান জাওয়াদ মৃত্যু-তার পদশব্দ ক্ষীণ,তীক্ষ্ণ, আমি মৃত্যুকে শুনতে পাই। মৃত্যু মানে ঘুটঘুটে আঁধার, আমি মৃত্যুকে দেখতে পাই। মৃত্যু মানে শত মানুষের থমকে যাওয়া পথচলা। মৃত্যু হল একজন কবির থেমে যাওয়া কবিতা। মৃত্যু আমায় ভয় দেখায় প্রতিনিয়ত আমার জীবনযাত্রা আজ স্থবির হয়তো এই স্থবিরতার মাঝেই একদিন নিরুদ্দেশ হব। Use Facebook to Comment on this Post

  • CREATIVE WRITING

    রেলস্টেশন থেকে বলছি | শরীফ মোহাম্মদ আমিরুল আলম

    আজ স্কুল বন্ধ। স্কুল বন্ধ হলে সারা দিন কাজ করা যায়। টাকাও একটু বেশি পাওয়া যায়।তখনই আনন্দটা সীমানা পেরিয়ে যায়,রাতে কাজ থেকে ফিরে যখন মায়ের হাতে একগুচ্ছ টাকা তোলে দিতে পারি। . শত কষ্টের মাঝেও মা একটুখানি হেসে বলেন, কেন এতো কষ্ট করতে গেলি? শত কিছু বললেও আমিই জানি,টাকা নামক এই অধরা বস্তুটি আমার পরিবারের জন্য কতটা প্রয়োজন। . আমি ইমন। পরিবার বলতে মা,আমি আর ছোট ভাইটি। ৫নং,ভাঙ্গা রেলের ওয়াগনটি আমাদের মাথা রাখার স্থান।গতবছর বেশ ভালই ছিল শুধু দক্ষিন পাশের অংশটাই ভিজতো। কিন্তু এই বরষায় মরিচা ধরা অংশটা উঠে যাওয়ায় তিনজন একসাথে থাকা হয়ে উঠে না। একজন জেগে থেকে দুজনকে ঘুমাতে হয়। এই রমজানে,রেল স্টেশনে যাত্রির সংখ্যা ও উপছে পড়ার…

  • CREATIVE WRITING

    অভিশঙ্কা | মাহফুজ উর রহমান

    নাহ! বেরোবেনা আর; ঘুণাক্ষরও না ৷ রুদ্ধ হয়ে আছে ওই নিনাদ বিবর ৷ নিমজ্জিত আমি অকুল সায়রে চুপসেছে আত্মবিশ্বাস রচে হতাশার গহ্বর৷ ক্লান্ত আমি বিবেকতাড়নে দংশিছে ওই নোনা অনুতাপ; তলিয়ে যাচ্ছি  রুষ্ট অতলে ঝাপসা হচ্ছে ক্রমে রৌদ্র্র্র্র-প্রতাপ ৷ জানিনা আমি, পারবো কি ধরতে ওই সিদ্ধিতরী? বেরোবে কি ফের ফুসফুস কাঁপা ধ্বনি, আসবো কি লবণাক্ত জগৎ থেকে ফিরি? জানি না আমি ৷ Use Facebook to Comment on this Post

  • CREATIVE WRITING

    অপ্রয়োজনীয় | কাজী মোয়াজ্জমা তাসনিম

    টাকাগুলো আবার গুনল জামাল। না। ভুল গুনে নি। পুরো এক লাখই আছে। টাকাটা কার সে জানে না। তবে আবছাভাবে মনে পড়ছে সন্ধ্যা বেলা যে ভদ্রলোক ব্যাগ নিয়ে তার গাড়িতে উঠেছিল নামার সময় তার হাতে ব্যাগ দেখেনি সে। খুব সম্ভবত ব্যাগটা তারই। লোকটা কোথায় নেমেছিল স্পষ্ট মনে আছে তার। লোকটার বাসা মিরপুরে। টিয়া রঙয়ের একটা চারতলা বাড়ি। ওই এলাকায় গেলে বাসাটা খুঁজে বের করতে খুব বেশি সময় লাগবে না তার। সিএনজিটা স্টার্ট করে মিরপুরের দিকে যাত্রা শুরু করে জামাল। আধঘন্টা হল জ্যামে আটকে আছে। বিচ্ছিরি জ্যামটা ছাড়ার কোন নাম নেই। ইঞ্জিনটা বন্ধ করে একটা সিগারেট ধরালো। তিতকুটে লাগছে সবকিছু। সিগারেটের ধোঁয়াটাও কেমন বিস্বাদ। আধখাওয়া সিগারেটটা ছুঁড়ে ফেলে দিলো বাইরে। ফাতেমা গত…

  • CREATIVE WRITING,  EDITORS PICK

    কলিংবেল রহস্য | তানজিলা আফরোজ

    চারদিন হলো নতুন বাসায় উঠেছেন শাহানা জামান। সবকিছু সাজানো গোছানো তাঁকে একা হাতেই সামলাতে হচ্ছে। পরিবারের সদস্য বলতে তাঁর দুই ছেলেমেয়ে; বড় ছেলে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা গিয়েছে প্রায় তিন বছর আগে আর ছোট মেয়ের বিয়ে হয়েছে গতমাসে। যখন ছেলেমেয়েরা খুব ছোট ছিলো তখনই বিধবা হয়েছিলেন শাহানা জামান। বর্তমানে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর তিনি। বাসা থেকে ইউনিভার্সিটির দূরত্ব অনেক বেশি হওয়ার মেয়ের বিয়ের একমাস পরেই কর্মক্ষেত্রের কাছাকাছি একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নেন তিনি। ছোটোখাটো একটা ফ্ল্যাট; মোটামুটি দুজন মানুষ থাকার মতো। তিনি একা মানুষ; তাঁর এরকমই একটা ফ্ল্যাটের দরকার ছিলো। আশেপাশের বিল্ডিং এ মিসেস জামানের কয়েকজন পরিচিত সহকর্মীও থাকেন। এই চারদিনের মধ্যে নিজের বিল্ডিং এর প্রায় সবার সাথে কমবেশি পরিচয় হয়ে গেছে…