• CREATIVE WRITING

    Utopia | Tahseen Reza

    John woke up wide-eyed like he did every day now. Roaring to get the day started. It was 5 am and the sun was glowing through his high glass windows, softly illuminating his room as if cradling him in its warm embrace. The temperature was just right at this time of day, not too cool not too hot. But of course, it was always that now. Dedicated Scientists had finally figured out how to recycle greenhouse gases into renewable energy that powered the world so that Global Warming wasn’t the disastrous issue as it was back in 2021. The Climate had been stable for 59 years. The sea level didn’t…

  • CREATIVE WRITING

    রোদ্দুর | নওশীন তাবাসসুম

    বৃষ্টিভেজা দুপুর।টিফিন শেষ হয়ে আরেক তরফা ক্লাস শুরু হতে যাবে,ঠিক সেই সময় ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। এরকম একটা অলস দুপুরে বৃষ্টির মধ্যে ক্লাস করতে যেমন ইচ্ছে করে না,নিতেও তেমন ইচ্ছে করে না।তাই টিচাররা অলস সময় যখন কাটাচ্ছিল টিচার্সরুমে-তখন একদল দুরন্ত কিশোরি বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছে।গান গাইছে হেরে গলায়।হঠাৎ _বৃষ্টি থেমে সবাইকে অবাক করে দিয়ে রোদ উঠল!সে আবার যে সে রোদ না-এক্কেবারে ঝকমকে রোদ!কি তেজ তার!ওরা দলবেঁধে ক্লাস ফেলে রেলগাড়ি হয়ে ছুটল পুকুরপাড়ে।গাছগাছালিতে ভরা ওদের সুন্দর স্কুলের পুকুরটায় তখন শাপলা হাসছে।হঠাৎ ওরা আবিষ্কার করল ইউক্যালিপটাস গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে সরু পথ ধরে ধোয়ার মত রোদ এসে পড়েছে!অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্যগুলোর একটি দেখতে যখন ওরা ব্যস্ত ঠিক তখনই ওদের মধ্যে একজন বলে উঠল-‘আমাদের টিমের নাম…

  • CREATIVE WRITING

    বাবা|ইয়াসির রাফা

    #১ কিছুদিন ধরেই রঞ্জুর মন খারাপ। শুধু খারাপ না,ভয়ংকর খারাপ। রিফাত, যে তার সবচেয়ে ভাল বন্ধু, সে তার নতুন সাইকেলটি রঞ্জুকে ধরতেও দেয়নি সেদিন । ‘রিফাত একটা আস্ত ছোটলোক’ মনে মনে ভাবলো রঞ্জু। রিফাতের উপর রাগ থেকেই হোক বা যাই হোক রঞ্জুর মাথায় সাইকেল এর ভূত চেপে বসলো। প্রতিদিন আব্বুর কাছে সাইকেল কিনে দেয়ার জন্য বায়না করে । ‘সাইকেল কিনে দাও, সাইকেল কিনে দাও’ বলে ঘ্যানর ঘ্যানর করে একদম অতিষ্ঠ করে তোলে বাবাকে। সাইকেল হলো এখন একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান।সাইকেল কিনলে কোথায় কোথায় যাবে, রিফাত কে দেখিয়ে দেখিয়ে চালাবে এইসব চিন্তা করেই আপাতত দিন পার করছে সে। আজ সকালে নাস্তা খাওয়ার সময় বাবাকে আবার সাইকেল এর কথা বলেছিল রঞ্জু। কিন্তু আব্বু বললেন,…

  • CREATIVE WRITING

    সফলতার অজানা অধ্যায় | মোঃ ইকবাল ফারুক

    ইক্করা (পড়)! মহা বিশ্বের মহান স্রষ্টা তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ফেরেশতার মাধ্যমে বিশ্বের সর্বোত্তম মানুষের কাছে সর্বপ্রথম এই শব্দটিই অবতীর্ণ করেন। এরপর এই পৃথিবীতে শুরু হয় মানব সভ্যতার এক প্রোজ্জ্বল পরিক্রমা। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে নিজেকে সময়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান ও বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন প্রত্যেক শিক্ষার্থীর লেখা-পড়ার গুণগত পরিবর্তন। গবেষণা মতে একজন মানুষ তার মস্তিষ্কের শতকরা পাঁচ থেকে সাত ভাগ ব্যবহার করতে পারে। বড় বড় বিজ্ঞানীদের বেলায় সেটা পনের থেকে আঠার ভাগ। অনেক শিক্ষার্থীই পড়াশোনায় সময় দেওয়ার পরও পড়া মনে রাখতে পারে না। তাই পড়া মনে রাখার কিছু কৌশল ও পদ্ধতি দেয়া হলো। আত্মবিশ্বাস আত্মবিশ্বাস যে কোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত। মনকে বোঝাতে হবে, পড়া শোনা অনেক সহজ…

  • CREATIVE WRITING

    কাঠ পেন্সিল দিয়ে আঁকি জীবনের মানচিত্র | ওমর ফারুক তানভীর

    ‘লক্ষ্যহীন জীবন, মাঝিবিহীন নৌকার মত’ একথাটি সম্ভবত আমাদের প্রত্যেকেরই জানা। সত্যিই জীবনে একটা কাংখিত জায়গায় পৌঁছানোর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণটা খুব জরুরী। তবে ভুলে থাকলে হবেনা, লক্ষ্য নির্ধারণে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবই ওলট-পালট করে দিতে পারে আপনার গোটা জীবনকে। সবকিছু আপাত ঠিকঠাক থাকলেও মানুষ সবসময় তার কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে না। যেমন ধরুন সাগরে একটা নির্দিষ্ট তীরকে লক্ষ্য করে আপনি নৌকা ভাসালেন; সবকিছু ঠিকঠাক আছে, নৌকার পাল তুলে দিয়েছেন, ঠিকঠাক মত বৈঠা চালাচ্ছেন, শক্ত হাতে হাল ও ধরে আছেন। তীরের যখন খুব কাছাকাছি, দেখা গেল সাগরে ওঠল তুমূল ঝড়। ঝড়ের গতিপথ আপনার কাংখিত তীরের বিপরীত দিকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি নৌকার মুখ তীরের দিকেই ঘুরিয়ে রাখেন তাহলে নৌকা যাবে উল্টে। তীরে পৌছানোর বদলে…

  • CREATIVE WRITING

    ঈদের কেনাকাটা | মোহাম্মদ কাইমুল ইসলাম ছোটন

    ঈদ আসতে আর তেমন দেরি নাই । হাতেগোনা আর মাত্র কয়েকদিন বাকি । পরিবারের সবাই বায়না ধরল, আমাদের ঈদের কাপড় চাই । সবাই কাপড় ক্রয় করে ফেলেছে । এমনকি পাশের ফ্লাটের ছোট্ট মেয়েটির সহ সবার জামা ক্রয় করা হয়ে গেছে । তাদের গুলো কই ? রাতে বাসায় আসলে পাশের ফ্লাটের ছেলে-মেয়েদের কথাগুলো কান দিয়ে শুনে । দিন যত ঘনিয়ে আসছে চিন্তা ততই বাড়তে লাগল । ‘ সাখাওয়াত বাবু একটি রেষ্টুরেন্টে চাকরি করে । অল্প বেতন (৫,০০০-৬,০০০) হাজার টাকা । গত মাসে রেষ্টুরেন্ট চুরি হওয়ায়, হয়ত এবার ঈদের বোনাসও কপালে জুটবেনা । আবার আদরের ছোট্ট ছেলেটি নির্দিষ্ট করে দিছে তার নীল পাঞ্জাবী লাগবে । ছোট ছেলেটির কথা শুনে বুকটা যেন দুরুদুরু…

  • CREATIVE WRITING

    জোগালদর লেখক | রেজা তানভীর

    অাবুল মনসুরের বাবা অনেক সম্পত্তির মালিক ছিল।কিন্তুু সে কোনো সম্পত্তি রক্ষা করতে পারেনি।পৈতৃক সূত্রে অনেক সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও সে জায়গাজমি রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেনি। অাবুল মনসুর একবার বার্মা গিয়েছিলেন চাকরি করার অাশায় কিন্তু সেখানে বিদেশী লোকজনের সাথে বনিবনা না হওয়ায় অনেকটা ঝগড়া করেই সে দেশে ফিরে অাসে।তখন সে টগবগে যুবক।দেশে এসেও সে তেমন বেশী সুবিধা করতে পারেনি।এলাকায় ছোটখাটো একটা মুদি দোকান দিয়েছিল সে।কিন্তু ব্যবসায় অাগ্রহ না থাকা ও ব্যবসার হিসাব নিকাশ ঠিকমত বুঝে ওঠতে না পারার কারণে তার দোকান বন্ধ করে দিতে হয়েছিল।অাবুল মনসুর বিয়ে করেন। বিয়ে করার পরপরই দোকান করা ছেড়ে দিয়ে বসে বসে খেতে থাকেন।কোন কাজকর্মে নিজেকে জড়াতে পারেননি শুধুমাত্র অলসতার কারণে।চাকরিতে গেলে কারো সাথে বনিবনা না হওয়ায়…

  • CREATIVE WRITING

    সাড়া দাও | মো. আরাফাত বিন হাসান

    চোখ কান বন্ধ করে কতদিন আর এভাবে ঘুমিয়ে রবে বলো, কতদিনই বা ছদ্মবেশে হতাশার গল্প শুনাবে? এবার সাড়া দাও। আর কতকাল রক্তে লাল হবে ধরণী, আর কতকাল আমরা থাকবো অন্যের গড়নি? এবার সাড়া দাও। হে মানবতা, পথে প্রান্তরে কতশত উলঙ্গ ক্ষুধার্ত জোয়ান বৃদ্ধ ঢেউ তোলে কতশত শিশু তাদের রঙ্গিন আকাশ পেরিয়ে উদ্ধাস্তু শরণার্থী হয়ে পথ ভুলে। রাস্তার প্রতিটি ধূলিকণা মুহূর্তেই বিপ্লবে ফেটে পড়ে, তাতে তোমার কিচ্ছু যায় আসে না? দেখো আজ কতশত প্রেমিকা সম্ভ্রম হারা হয় ভালোবাসার দায়ে, এভাবে অবলা তকমা লেগে কত মা আর বোনের গায়ে। আর কত? এবার তো সাড়া দাও। ABOUT WRITER: মো. আরাফাত বিন হাসান প্রতিনিধি at মাসিক প্রিয় বাংলা সদস্য at কণিকা – একটি রক্তদাতা…

  • CREATIVE WRITING

    পেনশন । রেজা তানভীর

    পেনশন রেজা তানভীর   কাসেম সাহেব রেলওয়েতে স্টেশন মাষ্টারের চাকরি করেছেন।দীর্ঘ ৩৬ বছরের চাকরি জীবনে তিনি দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে স্টেশন মাষ্টারের চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেছেন।অবসরের কিছুদিন পরেই হঠাৎ হার্টঅ্যাটাকে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।কাসেম সাহেব দুই ছেলে ও এক মেয়েকে রেখে গেছেন।বড় ছেলে সোলায়মান ও একমাত্র মেয়ে সুমাইয়াকেই তিনি বিয়ে দিতে পেরেছিলেন।ছোট ছেলে তখনো পড়ছে…. কাসেম সাহেব মৃত্যুর অাগে তার সন্তান ও স্ত্রীদের মধ্যে সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারা করে যেতে পারেননি।তিনি চাকরি শেষে পেনশন বাবদ এককালীন ত্রিশ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন।অবসরের পরপরই মারা যাওয়ায় ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারেননি,অবসরের পর মাত্র ছয় মাস বেঁচেছিলেন। কাসেম সাহবের বড় ছেলে সোলায়মান তার মাকে নয় ছয় বুঝিয়ে বাপের পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে নেয়।একদিন সুযোগ…