• EDITORS PICK

    Entrepreneurship and Bangladesh | Shijon Das

    In an era where technology and business are going hand in hand, the search for quality leaders is an on-going process that is in practice since past few centuries. My country, Bangladesh, is no exception. Even though the technological sector of my country hasn’t shown the transition like those of the first world countries, the economic sector has had some momentous transitions. With the GDP growing by 7% a year, as fast as China’s, and a booming garment industry that now ranks second only to China’s in exports, one can easily surmise that Bangladesh is well on its way to become the next Asian Tiger. Thus, the recent investment of…

  • CREATIVE WRITING,  EDITORS PICK,  FEATURE

    International Women’s Day: It All Matters | MANAAR SADIDA SHAHABUDDIN

    Do you ever feel like you’re an insignificant feminist because all you’re doing right now is getting your education and you haven’t made an actual contribution towards the movement yet? Well, this is a thought that occurs to me every day, but we’re wrong. Probably not the first time we’ve been told we’re wrong, but it’s legit this time. How so? Every time we handle a situation like the bosses we are, we’re contributing. We are significant. Every time your mom tells you that that top / dress is inappropriate and you still choose to rock it because you shouldn’t have to police what you wear due to other people’s…

  • FEATURE,  TRAVEL DIARY

    যেমন দেখেছি অমর একুশে বইমেলা | রেজা তানভীর

    ২১ শে ফেব্রুয়ারী সকাল বেলা এনা পরিবহনে করে মীরসরাই হতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হই।ঢাকা পৌঁছাতে প্রায় বিকেল তিনটা বেজে যায়। অামরা অাজিমপুরে খালার বাসায় যখন উঠি তখন বিকেল চারটা।দুপুরের ভাত খেতে হয় প্রায় চারটার পরে।বিকালে কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে সন্ধ্যায় বের হই অমর একুশে বই মেলার পথে। এর অাগে সায়েদাবাদ থেকে যখন অাজিমপুর যাচ্ছিলাম তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা একুশে ফেব্রুয়ারীর অামেজে ভরপুর।সবার হাতে খোপায় ফুল শোভা পাচ্ছে।ছেলে মেয়েরা বিভিন্ন বর্ণমেলা শোভিত সাদা কালো পোশাক পরে দলবেঁধে ঢাকার রাস্তায় হাঁটছেন। সন্ধ্যার পর অাজিমপুর থেকে রিকশাযোগে বাংলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত বইমেলার দিকে যখন রওনা হই তখন রাস্তায় ছিল প্রচুর জ্যাম।দলে দলে লোকজন বইমেলার দিকে যাচ্ছে।দিনটি ২১ শে ফেব্রুয়ারী হওয়ার কারণে টিএসসি পলাশী…

  • FEATURE

    My Child App, দিশা দেখাল হর্ষ

    আর পাঁচজন ছাত্রছাত্রী স্কুলে যা পারছে, কেউ-কেউ তা পারছে না। কেউ ঠিকঠাক বুঝতে পারছে না। কেউ লিখে প্রকাশ করতে পারছে না। কারোর আবার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা রয়েছে। বেড়ে ওঠার বয়সে কোথাও যেন একটা ঘাটতি রয়েছে। যা অন্যদের থেকে পিছিয়ে দিচ্ছে একাংশকে। উদ্বিগ্ন বাবা-মা বুঝেই উঠতে পারছেন না সমস্যাটা কোথায়। দেখা গিয়েছে ভারতে যত ছাত্রছাত্রী রয়েছে তার ১৩ থেকে ১৪ শতাংশই লার্নিং ডিসেবিলিটি বা শিক্ষাগ্রহণগত অক্ষমতার শিকার। সাম্প্রতিককালে অবশ্য সচেতনতা অনেকটাই বেড়েছে। আগামী প্রজন্মকে কীভাবে এর থেকে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে একটা চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। তবে সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে অনেকটা পথ যেতে হবে আমাদের। আর্লি লার্নিং ডিসঅর্ডার বা প্রাথমিক পর্যায়ে শেখার অস্বাভাবিকতা। ব্যাপারটা ঠিক কী বা কীভাবে সচেতনতা বাড়ানো যায়…

  • CREATIVE WRITING

    জীবনের মানচিত্র | ওমর ফারুক তানভীর

    কাঠ পেন্সিল দিয়ে আঁকি জীবনের মানচিত্র। ‘লক্ষ্যহীন জীবন, মাঝিবিহীন নৌকার মত’ একথাটি সম্ভবত আমাদের প্রত্যেকেরই জানা। সত্যিই জীবনে একটা কাংখিত জায়গায় পৌঁছানোর জন্য লক্ষ্য নির্ধারণটা খুব জরুরী। তবে ভুলে থাকলে হবেনা, লক্ষ্য নির্ধারণে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাবই ওলট-পালট করে দিতে পারে আপনার গোটা জীবনকে। সবকিছু আপাত ঠিকঠাক থাকলেও মানুষ সবসময় তার কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে না। যেমন ধরুন সাগরে একটা নির্দিষ্ট তীরকে লক্ষ্য করে আপনি নৌকা ভাসালেন; সবকিছু ঠিকঠাক আছে, নৌকার পাল তুলে দিয়েছেন, ঠিকঠাক মত বৈঠা চালাচ্ছেন, শক্ত হাতে হাল ও ধরে আছেন। তীরের যখন খুব কাছাকাছি, দেখা গেল সাগরে ওঠল তুমূল ঝড়। ঝড়ের গতিপথ আপনার কাংখিত তীরের বিপরীত দিকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি নৌকার মুখ তীরের দিকেই ঘুরিয়ে রাখেন তাহলে নৌকা…

  • CREATIVE WRITING

    আমার শৈশব | সোহরাব নীধ

    ছোটবেলায় রেইন নিয়ে বেশি পয়েম পড়া হতো। আগ্রহের বশত নই তবে পরিক্ষায় আসবে লিখতে হবে বলেই পড়তাম। দেখা যেত সেইসব পয়েম গুলো সামারে পড়তে হচ্ছে উইন্টারে গিয়ে পয়েম গুলো এক্সামে লিখতে হবে। নিজের মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলিতাম। ঋতু ভেদে কোনো আমেজ পেতাম না। আস্তে আস্তে বুঝতে শিখি শৈশব। এই শৈশবটা কি আবার? মাঠে খেলতে যেতাম। বৃষ্টিতে ফুটবল খেলা আহা। অপুরন্ত গ্রাম হলেতো আর কথাই নেই। রবিন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, জর্জ অরওয়েল, পারসি বাইসি, জোসেফ কনার্ড, জন উইক্লিফ, জর্জ বার্নার্ড এর বই পড়ে অনুতাপ করতে করতে বলি মনে হয় খুব দেরী হয়ে গিয়েছে। শৈশব তো আর ফিরে আসবেনা। তবুও কিছু অংশ পেয়েছি। নিজেকে বলি আমি একসময় বড় হবো। আমার বিয়ে হবে। হইতো…