আমার শৈশব | সোহরাব নীধ

ছোটবেলায় রেইন নিয়ে বেশি পয়েম পড়া হতো। আগ্রহের বশত নই তবে পরিক্ষায় আসবে লিখতে হবে বলেই পড়তাম।

দেখা যেত সেইসব পয়েম গুলো সামারে পড়তে হচ্ছে উইন্টারে গিয়ে পয়েম গুলো এক্সামে লিখতে হবে। নিজের মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলিতাম। ঋতু ভেদে কোনো আমেজ পেতাম না।

আস্তে আস্তে বুঝতে শিখি শৈশব। এই শৈশবটা কি আবার?

মাঠে খেলতে যেতাম। বৃষ্টিতে ফুটবল খেলা আহা। অপুরন্ত গ্রাম হলেতো আর কথাই নেই।

রবিন্দ্রনাথ, কাজী নজরুল, জর্জ অরওয়েল, পারসি বাইসি, জোসেফ কনার্ড, জন উইক্লিফ, জর্জ বার্নার্ড এর বই পড়ে অনুতাপ করতে করতে বলি মনে হয় খুব দেরী হয়ে গিয়েছে। শৈশব তো আর ফিরে আসবেনা।

তবুও কিছু অংশ পেয়েছি।

নিজেকে বলি আমি একসময় বড় হবো। আমার বিয়ে হবে। হইতো আমার ছেলে মেয়ে আমার কাছে জিজ্ঞেস করবে বাবা শৈশব কি? তারা তো খেলাধুলা করার টাইম পাবেনা। টুইটার, ফেসবুক, স্নেপচেট তাদেরকে আবদ্ধ করে রাখবে।

স্কুলের পাঠ্য বইয়ের দুলাইনও হইতো ব্যর্থ হবে তাদেরকে শৈশবের আমেজ দিতে। একসময় সেই পাঠ্য বই থেকেও শৈশব লিখাটা হারিয়ে যাবে। তারা আর তাদের জীবনে শৈশবটাও খুজে পাবেনা।

Use Facebook to Comment on this Post